rr999-এর গল্প — কীভাবে শুরু হয়েছিল সব
২০২০ সালে যখন rr999 যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা কম ছিল না। কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি সদস্যদের জন্য আলাদা কোনো মনোযোগ ছিল না — পেমেন্ট পদ্ধতি ছিল জটিল, ইন্টারফেস ছিল ইংরেজিতে, আর সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার উপায় ছিল না।
rr999-এর প্রতিষ্ঠাতারা ঠিক এই জায়গাটা বদলাতে চেয়েছিলেন। তাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের ভাষায়, এবং বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমে সহজে ব্যবহারযোগ্য।
প্রথম বছরে বিকাশ ও নগদ ইন্টিগ্রেশন
২০২০ সালেই rr999 প্রথম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্র চালু করে। এটা তখন সত্যিকারের একটা বিপ্লব ছিল। আগে সদস্যদের জটিল ক্রিপ্টো বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে হতো। rr999 সেই ঝামেলা একবারে দূর করে দিল।
প্রথম তিন মাসে rr999-এ ৫০ হাজারের বেশি সদস্য নিবন্ধন করলেন। মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া এই সাফল্য প্রমাণ করল যে বাজারে এই ধরনের একটি প্ল্যাটফর্মের সত্যিকারের প্রয়োজন ছিল।
২০২১–২০২২: বিস্তার ও উন্নয়ন
দ্বিতীয় বছরে rr999 তার গেম লাইব্রেরি বিশাল আকারে বাড়ায়। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে আন্তর্জাতিক মানের ডিলার যোগ করা হয় এবং বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট চালু হয়। স্পোর্টস বেটিং সেকশনে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা — ক্রিকেট ও ফুটবল — এর জন্য বিশেষ অডস ও বোনাস অফার শুরু হয়।
এই সময়ে rr999-এর VIP প্রোগ্রাম চালু হয়, যা সদস্যদের দীর্ঘমেয়াদে থাকতে উৎসাহ দেয়। সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম — এই তিন স্তরের VIP সিস্টেম সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
২০২৩–বর্তমান: পাঁচ লক্ষ সদস্যের পরিবার
আজ rr999 বাংলাদেশের সকল ৬৪ জেলায় সক্রিয় সদস্য নিয়ে কাজ করছে। প্ল্যাটফর্মে ৫০০-এর বেশি গেম আছে, ২৪ ঘণ্টা বাংলা সাপোর্ট আছে এবং প্রতিদিন গড়ে ১৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্র সম্পন্ন হচ্ছে। rr999 এখন শুধু একটি বেটিং সাইট নয় — এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন বিনোদন প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি।
আমাদের দলের প্রতিটি সদস্য প্রতিদিন কাজ করেন একটাই লক্ষ্যে — আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করা। প্রতিটি ফিডব্যাক আমরা পড়ি, প্রতিটি অভিযোগ আমরা সমাধান করি এবং প্রতিটি পরামর্শ আমরা বিবেচনায় নিই।